অপুষ্টির কি কারণ ও অপুষ্টি প্রতিরোধ
অপুষ্টির কি কারণ ও অপুষ্টি প্রতিরোধ
অপুষ্টি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশুদের এবং প্রাপ্তবয়স্কদের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। অপুষ্টির লক্ষণগুলি হল, অস্বাভাবিকভাবে দেহের ওজনের পরিবর্তন, ক্লান্তি, কাজকর্মে অক্ষমতা ইত্যাদি। অপুষ্টির কারণ হল, ভুল খাদ্যাভাস, আর্থ-সামাজিক কারণ ইত্যাদি। সছিক সময়ে এর চিকিৎসা না করালে বাচ্চা, বড়ো সবার ক্ষেত্রেই জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।
এককথায়, কারোর শরীরে পুষ্টির অভাবই হল অপুষ্টির মূল কারণ। যেখানে পুষ্টিকর উপাদানগুলো যথেষ্ট নয় অথবা এত বেশি যে তার কারণে স্বাস্থ্যের সমস্যা ঘটে। সংশ্লিষ্ট পুষ্টিকর উপাদানগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে: ক্যালরি, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন বা খনিজ পদার্থ।
যদি গর্ভাবস্থায় অথবা দুই বছর বয়স হওয়ার আগে পুষ্টির অভাব ঘটে, তাহলে এর ফলস্বরূপ শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে স্থায়ী সমস্যা হতে পারে। পুষ্টির চরম অভাবের যে উপসর্গগুলো থাকতে পারে তা হল: খাটো উচ্চতা, রোগা শরীর, খুব দুর্বল প্রাণশক্তির মাত্রা এবং পা ও পেটে ফোলাভাব, প্রায়ই সংক্রমণের শিকার এবং ঘন ঘন ঠান্ডা লাগা।
১. খাদ্য গ্রহণ ও পান করার ক্ষেত্রে অনিচ্ছা ২. অত্যাধিক ক্লান্তি ৩. মনঃসংযোগে অসুবিধা ৪. সারাক্ষণ ঠান্ডা লাগা ৫. ওজন কমে যাওয়া ৬. কোনও ক্ষত নিরাময়ে দীর্ঘ সময় লাগা ৭. অসুস্থতা থেকে সুস্থ হতে বেশি সময় লাগা ৮. পেশীর দুর্বলতা ৯. পেট ফোলা ১০. মাথা ঘোরা ১১. শক্তির অভাব ১২.বিষণ্ণতা ১৩. শুষ্ক ত্বক ১৪. দাঁতের ক্ষয় শিশুদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির অভাব দেখা যায় এবং তারা ক্লান্ত, খিটখিটে হয়ে যায়। আচরণগত এবং বৌদ্ধিক বিকাশও ধীর হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, কোনও কিছু শেখার ক্ষেত্রে অসুবিধা তৈরি হয়।
এছাড়াও, চিকিৎসক শিশুটির উচ্চতা, ওজনও পরিমাপ করতে পারেন। পুষ্টির ঘাটতিগুলি পরীক্ষার জন্য চিকিৎসক রক্ত পরীক্ষার আদেশ দিতে পারেন।
![]() |
অপুষ্টি |
অপুষ্টি কী ?
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (WHO) এর মতে অপুষ্টির অর্থ হল, একজন ব্যক্তির পুষ্টি গ্রহণের ক্ষেত্রে ঘাটতি বা ভারসাম্যহীনতা। একধরনের অপুষ্টি হল- যার মধ্যে কম ওজন এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি রয়েছে। অন্যটি, অতিপুষ্টি।অপুষ্টি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশুদের এবং প্রাপ্তবয়স্কদের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। অপুষ্টির লক্ষণগুলি হল, অস্বাভাবিকভাবে দেহের ওজনের পরিবর্তন, ক্লান্তি, কাজকর্মে অক্ষমতা ইত্যাদি। অপুষ্টির কারণ হল, ভুল খাদ্যাভাস, আর্থ-সামাজিক কারণ ইত্যাদি। সছিক সময়ে এর চিকিৎসা না করালে বাচ্চা, বড়ো সবার ক্ষেত্রেই জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।
এককথায়, কারোর শরীরে পুষ্টির অভাবই হল অপুষ্টির মূল কারণ। যেখানে পুষ্টিকর উপাদানগুলো যথেষ্ট নয় অথবা এত বেশি যে তার কারণে স্বাস্থ্যের সমস্যা ঘটে। সংশ্লিষ্ট পুষ্টিকর উপাদানগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে: ক্যালরি, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন বা খনিজ পদার্থ।
যদি গর্ভাবস্থায় অথবা দুই বছর বয়স হওয়ার আগে পুষ্টির অভাব ঘটে, তাহলে এর ফলস্বরূপ শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে স্থায়ী সমস্যা হতে পারে। পুষ্টির চরম অভাবের যে উপসর্গগুলো থাকতে পারে তা হল: খাটো উচ্চতা, রোগা শরীর, খুব দুর্বল প্রাণশক্তির মাত্রা এবং পা ও পেটে ফোলাভাব, প্রায়ই সংক্রমণের শিকার এবং ঘন ঘন ঠান্ডা লাগা।
অপুষ্টির কারণ :
ক) ক্ষুধার অভাবের কারণে হয় খ) হজম সংক্রান্ত সমস্যা গ) মানসিক পরিস্থিতি ভালো না হলে, যা আপনার মেজাজ এবং খাওয়ার ইচ্ছার ওপর প্রভাব ফেলে। ঘ) ক্রোনস ডিজিজ বা আলসারেটিভ কোলাইটিসের মতো রোগ খাদ্য হজম করার ক্ষেত্রে বা পুষ্টি গ্রহণে শারীরিক ক্ষমতাকে ব্যাহত করে। ঙ) অপুষ্টির কারণে অ্যানোরেক্সিয়া হতে পারে, একটি খাওয়ার ব্যাধি। চ) মদ্যপান ছ) স্তন্যপান
অপুষ্টির উপসর্গ :
১. খাদ্য গ্রহণ ও পান করার ক্ষেত্রে অনিচ্ছা ২. অত্যাধিক ক্লান্তি ৩. মনঃসংযোগে অসুবিধা ৪. সারাক্ষণ ঠান্ডা লাগা ৫. ওজন কমে যাওয়া ৬. কোনও ক্ষত নিরাময়ে দীর্ঘ সময় লাগা ৭. অসুস্থতা থেকে সুস্থ হতে বেশি সময় লাগা ৮. পেশীর দুর্বলতা ৯. পেট ফোলা ১০. মাথা ঘোরা ১১. শক্তির অভাব ১২.বিষণ্ণতা ১৩. শুষ্ক ত্বক ১৪. দাঁতের ক্ষয় শিশুদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির অভাব দেখা যায় এবং তারা ক্লান্ত, খিটখিটে হয়ে যায়। আচরণগত এবং বৌদ্ধিক বিকাশও ধীর হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, কোনও কিছু শেখার ক্ষেত্রে অসুবিধা তৈরি হয়।শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির প্রভাবগুলি কী কী?
১. দাঁতের ক্ষয় ২. দুর্বলতা ৩. মাড়ি থেকে রক্তপাত ৪. শুষ্ক ত্বক ৫. কম ওজন ৬. মনঃসংযোগে অসুবিধা ৭. ফোলা পেট ৮. পেশী দুর্বলতা ৯. শক্তি হ্রাস ১০. অস্টিওপরোসিস ১১. শেখার সমস্যাশিশুদের অপুষ্টির কারণ :
অপুষ্টির প্রধান কারণগুলি হল জনসংখ্যা, দারিদ্র্যতা, পুষ্টি সম্পর্কে অবগত না হওয়া, সচেতনতার অভাব ইত্যাদি। শিশুদের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে খাদ্য গ্রহণ না করার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবারের বদলে শিশুরা অনেকসময়ই বিভিন্ন পানীয়, জুস ও চিপস বা জাঙ্ক ফুড গ্রহণ করতে পছন্দ করে। জাঙ্ক ফুডের কারণেও শিশুদের শরীরে ক্ষতি হয়। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বা কম খেতে দেওয়াও অপুষ্টির কারণ।অপুষ্ট শিশুদের কীভাবে চিকিৎসা করা যায়?
যদি আপনি দেখেন যে আপনার শিশু দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, সেক্ষেত্রে তার পুষ্টির অভাব আছে। এ ব্যাপারে ফেলে না রেখে সঠিক সময়ে চিকিৎসা করান। চিকিৎসক শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা এবং সে কী ধরনের খাবার খাচ্ছে তার প্রকার ও পরিমাণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।এছাড়াও, চিকিৎসক শিশুটির উচ্চতা, ওজনও পরিমাপ করতে পারেন। পুষ্টির ঘাটতিগুলি পরীক্ষার জন্য চিকিৎসক রক্ত পরীক্ষার আদেশ দিতে পারেন।

No comments